লেজিসলেটিভ ও সংসদ বিষয়ক বিভাগ গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার
Text size A A A
Color C C C C
সর্ব-শেষ হাল-নাগাদ: ১৭ মে ২০২১

আইনি গবেষণার মাধ্যমে তারতম্যমূলক আইন ও নীতি চিহ্নিতকরণপূর্বক উহা সংস্কার প্রকল্প।

আইনি গবেষণার মাধ্যমে তারতম্যমূলক আইন ও নীতি

চিহ্নিতকরণপূর্বক উহা সংস্কার প্রকল্প।

 

আইনের মাধ্যমে উন্নয়ন এবং জনগণের মৌলিক চাহিদাসমূহ পূরণকল্পে সুখী ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ে তোলার লক্ষ্যে SDG বাস্তবায়নের অন্যতম টার্গেট 16.b অর্থাৎ Promote and enforce non-discriminatory laws and policies for sustainable development অর্জনে বৈষম্যহীন আইন ও নীতি প্রণয়ন করে উহার যথাযথ প্রয়োগ নিশ্চিত করা আবশ্যক। সাধারণ অর্থনীতি বিভাগ কর্তৃক প্রণীত Mapping of Ministries by Targets in the Implementation of SDG অনুযায়ী লেজিসলেটিভ ও সংসদ বিষয়ক বিভাগকে উক্ত ১৬বি লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে লিড ডিভিশন হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। উক্ত লক্ষ্যমাত্রা অর্জনকল্পে আইনি গবেষণার মাধ্যমে তারতম্যমূলক আইন ও নীতি চিহ্নিতকরণপূর্বক উহা সংস্কার শীর্ষক প্রকল্প গ্রহণ করা হয়েছে। একনজরে প্রকল্পের বিস্তারিত বিবরণ নিম্নরূপ:-

মেয়াদকাল

মে ২০‌১৯ – অক্টোবর, ২০২১

 অর্থের উৎস

সম্পূর্ণ  জিওবি

অনুমোদনের তারিখ

৭ মে, ২০১৯

কার্যক্রম শুরুর তারিখ

১২ মে, ২০১৯

 ২০১৮ -১৯ অর্থ বছরে ব্যয়

১৬.৬৪ লক্ষ টাকা

 ২০১৯ -২০ অর্থ বছরে ব্যয়

১৮৮.৪৭ লক্ষ টাকা

২০২০- ২১ অর্থ বছরে বরাদ্দ

৬২৪ লক্ষ টাকা

২০২১- ২২ অর্থ বছরে বরাদ্দ

৬০ লক্ষ টাকা

 মোট

৮৯০ লক্ষ টাকা

 

প্রকল্পের উদ্দেশ্য ও লক্ষমাত্রা :                

  • বিদ্যমান আইনে কোন তারতম্যমূলক বিধান থাকলে গবেষণার মাধ্যমে তা চিহ্নিত করা,
  • বিদ্যমান কতিপয় প্রচলিত বাংলা আইন ইংরেজিতে এবং ইংরেজি আইন বাংলায় অনুবাদ করা,
  • প্রশিক্ষণের মাধ্যমে এ বিভাগ ও অন্যান্য মন্ত্রণালয় ও বিভাগের আইনের খসড়া প্রণয়নের সাথে সংশ্লিষ্ট  কর্মকর্তাদের সক্ষমতা বৃদ্ধি করা এবং
  • জনগণের আইনি অধিকার সম্পর্কে সচেতন করার উদ্দেশ্য  নিয়ে প্রকল্পটি প্রণয়ন করা হয়েছে।

                 ডিপিপিতে উল্লিখিত প্রকল্পের মূল কার্যক্রম:

১। (ক) গবেষণার মাধ্যম প্রচলিত আইনে বৈষম্যমূলক  আইন ও নীতি চিহ্নিতকরণ।

(খ) অনুবাদঃ বিনিয়োগ ও বৈদেশিক বাণিজ্যের প্রসার ও প্রচলিত আইনে  জনগণের অভিগম্যতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে ৫৯ টি আইন ইংরেজি হতে বাংলায় এবং ৪২ টি বাংলা হতে ইংরেজিতে সর্বমোট ১০১টি আইনের অনুবাদ করা।

(গ) গণসচেতনতামূলক কার্যক্রমঃ মোট ০৫টি স্টেকহোল্ডার কনসালটেশন ও সকল বিভাগে ০৮টি ওয়ার্কশপ     সেমিনার। 

(ঘ) প্রশিক্ষণঃ মোট ০৮টি মডিউলের উপর অভ্যন্তরীণ প্রশিক্ষণ । লেজিসলেটিভ ও সংসদ বিষয়ক বিভাগসহ       অন্যান্য মন্ত্রণালয়ের কমকর্তাদের আইনি সক্ষমতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে প্রশিক্ষণ প্রদান।

(ঙ) লেজিসলেটিভ ডেস্কবুকঃ আইন প্রণয়ন পদ্ধতি এবং আইনের প্রকৃতি অনুযায়ী বিভিন্ন ধরনের আইনের মডেল অন্তর্ভূক্ত করে লেজিসলেটিভ ডেস্কবুক তৈরী করা হবে।

২। অফিস স্থাপন: ২২/০৫/২০১৯ খ্রি. তারিখে গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয় হতে বেসরকারি ভবনে অফিস স্থাপনের  অনুমতি পাওয়া গেছে। এ প্রেক্ষিতে,  ১৩/১ তোপখানা রোড, সেগুনবাগিচায় প্রকল্প কার্যালয় স্থাপন করা হয়েছে।

জনবল সংক্রান্ত বিবরণি:

জনবল সম্পর্কিত তথ্য নিম্নরূপ:

পদের নাম

মঞ্জুরিকৃত পদ সংখ্যা

নিয়োজিত কর্মকর্তা

(পদবী)

শূণ্য পদ

প্রকল্প পরিচালক, গ্রেড-৩

ড.মোহাম্মদ মহিউদ্দীন

 (যুগ্নসচিব )

 

উপ প্রকল্প পরিচালক, গ্রেড-৪

মো: ওয়াদুদ হোসেন

(যুগ্মসচিব )

উপ প্রকল্প পরিচালকের  ১ টি পদ শূন্য

সিনিয়র গবেষণা কর্মকর্তা, গ্রেড-৬

মো: মাহবুবুর রহমান (উপসচিব )

 

প্রশাসন ও প্রশিক্ষণ     কর্মকর্তা, গ্রেড-৯

মো:আশরাফুল আলম

(সহকারী সচিব )

 

হিসাব রক্ষক, গ্রেড- ৯

মো: আজিজুল হক

(সহকারী হিসাব রক্ষণ কমকর্তা )

 

অফিস সহকারি কাম-কম্পিউটার অপারেটর, গ্রেড-১৬

মো: ওয়াশিউর রহমান

(আউট সোর্সিং এর মাধ্যমে )

 

অফিস সহায়ক, গ্রেড-২০

 মো: নোমান হোসেন  

(আউট সোর্সিং এর মাধ্যমে)

 

মোট= 

০৮

০৭

০১ টি পদ শূন্য

 

৩। প্রকল্পের বাজেট বরাদ্দের বিবরণীঃ                                                          (লক্ষ টাকায় )

অর্থ – বছর

 ডিপিপি অনুযায়ী বরাদ্দ

প্রকৃত বরাদ্দ

মোট

২০১৮-২০১‌৯

৮৬.৫০

৩০.০০

৩০.০০

২০১৯-২০

৬২৫.৮৩

২৮৪.০০

২৮৪.০০

২০২০-২১

১৭৭.৬৭

৫৭১.০০

৫৭১.০০

মোট=

৮৯০.০০

৮৮৫.০০

৮৮৫.০০

 

৪। প্রকল্পের ব্যয়: প্রকল্পটি মে ২০১৮- ২০১৯ অর্থবছরে অনুমোদিত হওয়ায় ২০১৮-১৯ অর্থ বছরের জন্য বরাদ্দ ৮৬.০০ লক্ষ টাকা থেকে কমিয়ে  ৩০.০০ লক্ষ টাকায় নির্ধারণ করা হয়। উক্ত বছরে সম্মানী ভাতা / ফি / পারিশ্রমিক,আপ্যায়ন খরচ, শ্রমিক মজুরি, প্রচার ও বিজ্ঞাপন, অফিস প্রশিক্ষণ, কম্পিউটার সামগ্রী, টেলিযোগাযোগ সরঞ্জাম প্রভৃতি খাতে মোট ১৬.৬৪ লক্ষ টাকা খরচ হয়েছে। ২০১৯- ২০ অর্থ বছরে ২৮৪.০০ লক্ষ টাকা বরাদ্দ রাখা হয়েছে, যার মধ্যে ১৮৯.০০ লক্ষ টাকা খরচ হয়েছে। ২০২০- ২১ অর্থ বছরে ৬২৪.০০ লক্ষ টাকা বরাদ্দ রাখা হয়েছে, যার মধ্যে ২৮৮.০০ লক্ষ টাকা খরচ হয়েছে।

৫। গবেষণা: লক্ষ্যমাত্রা ১৬.বি অর্জনের লক্ষ্যে এদেশে বিদ্যমান আইনসমূহের মধ্যে কোনো বৈষম্যমূলক বিধি-বিধান রয়েছে  কিনা তা চিহ্নিতকরণ একটি ব্যাপকভিত্তিক গবেষণার কাজ। মানসম্পন্ন, নির্ভরযোগ্য ও পর্যাপ্ত যোগ্য জনবল রয়েছে এবং গবেষণার ক্ষেত্রে পূর্ব অভিজ্ঞতা ও সুনাম রয়েছে এরূপ প্রতিষ্ঠান দ্বারা গবেষণা কার্যক্রম সম্পন্ন করা হবে। স্বনামধন্য প্রতিষ্ঠান দ্বারা গবেষণার পাশাপাশি সভা, আলোচনা বা মতবিনিময়, দেশে ও বিদেশের আইনি দলিল পরীক্ষার মাধ্যমে বৈষম্যমূলক আইন চিহ্নিত করা হবে। চুক্তি অনুযায়ী কনসালট্যান্ট/ফার্ম কর্তৃক গবেষণাকার্য সম্পন্ন করে প্রাপ্ত ফলাফল পরবর্তী প্রয়োজনীয় পদক্ষেপের জন্য সরকারের নিকট উপস্থাপন করা হবে। গবেষণা কাজের দায়িত্ব কোনো  একক ফার্ম বা গবেষণা প্রতিষ্ঠানকে দেয়া হলে তা বাস্তবায়ন, মনিটরিং এর মাধ্যমে সুচারুরূপে সম্পন্ন করা দূরহ হবে বিধায় এটিকে ৪টি (চার) প্যাকেজে বিভক্ত করে ভিন্ন ভিন্ন গবেষণাকারী প্রতিষ্ঠানকে দেয়া হয়েছে যাতে গবেষণার কাজ দ্রুত ও সঠিকভাবে সম্পন্ন করা সহজ হয়। প্রকল্প শেষ হওয়ার অন্তত ৬ মাস পূর্বে গবেষণালব্ধ প্রতিবেদন প্রণয়ন করে মূল্যায়নের জন্য জমা প্রদান করতে হবে। প্রতিবেদন মুল্যায়নকালে ত্রুটি, বিচ্যুতি,বা কোনো প্রকার অসংগতি পাওয়া গেলে গবেষণাকারী প্রতিষ্ঠান তা সংশোধন করবে।

পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তি প্রচার করে প্রাপ্ত দরপত্রপত্রসমূহ মূল্যায়ন কমিটি কর্তৃক যাচাই করে সর্বোচ্চ স্কোর প্রাপ্ত দরদাতা প্রতিষ্ঠানের সহিত চুক্তি সম্পাদন করা হয়েছে। চুক্তি সম্পাদনকারী গবেষণাকারী প্রতিষ্ঠানগুলো হচ্ছে যথাক্রমে আইন বিভাগ,রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়, আইন অনুষদ, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়, স্কুল অব ল, ব্রাক বিশ্ববিদ্যালয়,আইন অনুষদ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়। চুক্তি অনুযায়ী ১৯/০৩/২০২০খ্রি.তারিখ হতে পরবর্তী আট মাসের মধ্যে গবেষণা কাজ সম্পাদন করতে হবে। উক্ত চারটি প্যাকেজে গবেষণার ক্ষেত্রে গবেষণাকারী প্রতিষ্ঠান হতে গবেষণার প্রতিবেদন দাখিল করা হয়েছে। অপরদিকে লেজিসলেটিভ ও সংসদ বিষয়ক বিভাগ কর্তৃক গবেষণাকার্যের শুদ্ধতা যাচাইকরণের জন্য ১৬ সদস্য বিশিষ্ট যাচাই কমিটি / প্যানেল গঠন করা হয়েছে। প্রাপ্ত  প্রতিবেদনসমূহ যাচাই কমিটি কর্তৃক যাচাই-বাছাই করা হয়েছে। 

৬। অনুবাদ: ১৯৮৭ সনে বাংলাভাষা প্রচলন আইন প্রণয়নের পূর্ব পর্যন্ত এ দেশের সকল আইন ইংরেজিতে প্রণীত। এছাড়া ও ইংরেজী ভাষায় প্রণীত আইন সাধারণ মানুষের নিকট সহজবোধ্য নয়।  আইনের অনুবাদ করা হলে জনগণের মাঝে আইনের অভিগম্যতা বৃদ্ধি পাবে। ফলে জনগণ প্রচলিত আইন এবং তাদের অধিকার সম্পর্কে সচেতন হবে এবং বৈষম্য হ্রাস পাবে। অপরদিকে বৈদেশিক বিনিয়োগ সম্পর্কিত বাংলা ভাষায় প্রণীত আইনসমূহ ইংরেজিতে ভাষান্তর করা হলে তা বিদেশি বিনিয়োগকারীগণকে বিনিয়োগ উদ্ধুদ্ধকরণে ভূমিকা রাখবে। বাংলাদেশে বর্তমানে প্রায় ১২৮৬ আইন রয়েছে। যার মধ্যে ২৪৯টি আইন অনুবাদের কাজ সম্পন্ন হয়েছে। ফলে এখন প্রায় ১০০০টি আইন রয়েছে যা ভাষান্তর করা হয়নি। এ পর্যায়ে  ১০১টি আইন আলোচ্য প্রকল্পের মাধ্যমে গুরুত্ব বিবেচনায় অনুবাদ করা হবে। উল্লিখিত ১০১টি আইনের মধ্যে ৪২ টি আইন বাংলা হতে ইংরেজিতে এবং অপর ৫৯টি আইন ইংরেজি হতে বাংলায় অনুবাদ করা হবে। কেবলমাত্র একজন ব্যক্তিকে বা একক কোনো প্রতিষ্ঠানকে অনুবাদের দায়িত্ব দেয়া হলে অনুবাদ কাজটির গুনগত মাণ নিশ্চিত করে সঠিক সময়ে তা সম্পন্ন করা সম্ভব নাও হতে পারে। এ কারণে অনুবাদের সম্পূর্ণ কাজটি ৪টি ভাগ করে ৪টি অনুবাদকারী প্রতিষ্ঠানকে দেয়ার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়েছে। প্যাকেজ ১ও ২ এর আওতায় অনুবাদ কার্য সম্পাদনের জন্য অনুবাদকারী প্রতিষ্ঠানের সহিত গত ১৭/০৩/২০২০খ্রি.তারিখে চুক্তি সম্পাদন করা হয়েছে। অনুবাদকারী প্রতিষ্ঠান গুলো হচ্ছে, যথাক্রমে আইন অনুষদ,   ঢাকা   বিশ্ববিদ্যালয় এবং ল ফোকাস। প্যাকেজ ১ ও ২ এর আওতায় অনুবাদ কার্য সম্পাদিত হয়েছে এবং সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠান উহার চূড়ান্ত প্রতিবেদন দাখিল করেছে। প্যাকেজ-৪ এর আওতায় অনুবাদ সম্পন্ন করার জন্য নিসা’ ল ফার্মের সহিত গত ০৭/০৮/২০২০খ্রি.তারিখে এবং প্যাকেজ ৩ এর আওতায় আইন অনুষদ,  ঢাকা  বিশ্ববিদ্যালয় এর সাথে ০৭/০৯/২০২০খ্রি.তারিখে চুক্তি সম্পাদন করা হয়েছে। উভয় প্রতিষ্ঠান অনুবাদকৃত আইনের কপি দাখিল করেছে। লেজিসলেটিভ ও সংসদ বিষয়ক বিভাগ কর্তৃক অনুবাদকার্যের শুদ্ধতা যাচাইকরণের জন্য গঠিত ১২ সদস্য বিশিষ্ট যাচাই কমিটি / প্যানেল খসড়াসমূহ পরীক্ষা নিরীক্ষা করেছে।  

লেজিসলেটিভ ডেস্কবুক : আইন প্রণয়নের উদ্দেশ্যে কোনো হালনাগাদ ও নির্ভরযোগ্য লেজিসলেটিভ ডেস্কবুক নেই বিধায় বিভিন্ন মন্ত্রণালয় / বিভাগ তাদের ইচ্ছা অনুযায়ী আইনের খসড়া প্রণয়ন করে থাকে। এ কারণে আইন প্রণয়ন সংক্রান্ত কাজে দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতা রয়েছে এরূপ এক / একাধিক অভিজ্ঞ কনসালট্যান্ট / ফার্ম কর্তৃক সাম্প্রতিক লেজিসলেটিভ গ্রামারসহ একটি লেজিসলেটিভ ডেস্কবুক প্রণয়ন করা প্রয়োজন । আইন প্রণয়ন পদ্ধতি এবং আইনের প্রকৃতি অনুযায়ী বিভিন্ন ধরনের আইনের মডেল প্রস্তুতপূর্বক লেজিসলেটিভ ডেস্কবুকে অন্তর্ভূক্ত করা হবে। ফলে আইনের খসড়া প্রণয়নের সাথে জড়িত কমর্কর্তাগণ অধিকতর দক্ষতার সাথে আইনের খসড়া প্রস্তুত করতে পারবে এবং স্বল্পতম সময়ে আইনের খসড়া প্রস্তুত সম্ভব হবে।

ডেস্কবুক তৈরির উদ্দেশ্যে গত ০৭/০৬/২০২০ খ্রি.তারিখে দৈনিক যুগান্তর এবং The Daily Observer পত্রিকায় দরপত্র আহবান করে টেন্ডার বিজ্ঞপ্তি প্রচার করা হয়েছে। মূল্যায়ন কমিটি কর্তৃক প্রাপ্ত প্রস্তাবসমূহ যাচাই ও মূল্যায়নের পর কারিগরি ও আর্থিক মূল্যায়নে সর্বোচ্চ স্কোর অর্জনকারী আইওটি ল্যাব বিডি লিমিটেডের টীম লিডার ও এ বিভাগের সাবেক যুগ্মসচিব জনাব এ.কে. মোহাম্মদ হোসেন এর সাথে  ১০/০৮/২০খ্রি.তারিখে চুক্তি সম্পাদন করা হয়েছে। চুক্তি অনুযায়ী ০৬ মাসের মধ্যে ডেস্কবুক প্রণয়নের কাজ সম্পন্ন করতে হবে। ইতোমধ্যে আইওটি ল্যাব বিডি লিমিটেড তাদের প্রথম খসড়া দাখিল করেছে।

প্রশিক্ষণ: ডিপিপি অনুযায়ী মোট ৮টি প্রশিক্ষণে ৩০০জন কর্মকর্তাকে প্রশিক্ষণের সংকুলান রয়েছে। ইতমধ্যে ৮টি বিষয়ের উপর ৬১৯ জন  কর্মকর্তাকে প্রশিক্ষণ প্রদান করা হয়েছে। এ বিভাগের কর্মকর্তাসহ বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের আরো মোট ৮১ জন কর্মকর্তাকে প্রকল্পকালীন সময়ে প্রশিক্ষণ দেয়া হবে। উল্লেখ্য প্রশিক্ষণ খাতে যে অর্থ বরাদ্দ রয়েছে তা হতে এ ব্যয় নির্বাহ করা হবে। ডিপিপিতে অনুমোদিত প্রশিক্ষণসূচিতে যে সকল ব্যয়ের খাত ও হার রয়েছে তা অনুসৃত হবে। কতিপয় দেশে আইনি বৈষম্য দূরীকরণের বিষয়ে অভিজ্ঞতা অর্জনের বিষয়টি অন্তর্ভুক্ত আছে।

সেমিনার ও ওয়ার্কশপ: ডিপিপিতে মোট ৮টি বিভাগীয় শহরে ০৮টি সেমিনার / ওয়ার্কশপ অনুষ্ঠানের সংস্থান রয়েছে। করোনাজনিত কারণে ওয়ার্কশপ আয়োজনে কিছুটা বিলম্ব হয়েছে। ইতোমধ্যে চট্টগ্রাম, রাজশাহী, ময়মনসিংহ, সিলেট, নীলফামারি, খুলনা, ও ভোলা জেলায় মোট ৭টি ওয়ার্কশপ আয়োজন করা হয়েছে।  বিগত ০৩/০৪/২০২১খ্রি. তারিখে ঢাকা বিভাগের রাজবাড়ী জেলায় অনুষ্ঠিতব্য ওয়ার্কশপটি করোনা পরিস্থিতির কারণে স্থগিত করা হয়েছে।

১০ স্টেকহোল্ডার কনসালটেশন: মোট ৫টি স্টেকহোল্ডার কনসালটেশন অনুষ্ঠানের কথা থাকলেও এ পর্যন্ত ঢাকা, হবিগ্ঞ্জ, সাতক্ষীরা, কক্সবাজার ও বরিশালে মোট ৬টি স্টেকহোল্ডার কনসালটেশন আয়োজন করা হয়েছে।

১১ আইনি সচেতনতা সৃষ্টি: জনগণের মধ্যে ব্যাপক আইনি সচেতনতা সৃষ্টির লক্ষ্যে লিফলেট, হ্যান্ডবিল ও পোস্টার তৈরি করে বিতরণ করা হয়েছে। তৃণমূল পর্যায়ে আইন সম্পর্কে অজ্ঞতা দূরীকরণের লক্ষ্যে অপ্রাপ্ত বয়স্ক শিশু, অবহেলিত মহিলা ও দরিদ্র জনগোষ্ঠীর সহিত ওয়ার্কশপ / সেমিনার আয়োজন করা হবে। ওয়ার্কশপ / সেমিনারে আলোচনার মাধ্যমে সমাজের অবহেলিত শ্রেণির সমস্যা চিহ্নিত করা হবে। ফলে চিহ্নিত সমস্যা সমাধানের উপায়গুলি আলোচিত হবে। ফলশ্রুতিতে উক্ত জনগণ তাদের অধিকার সম্পর্কে সচেতন হবে এবং উন্নত জীবন সম্পর্কে তাদের মূল্যবোধ সৃষ্টি হবে।

১২। ক্রয় পরিকল্পনা: ২০১৮-১৯, ২০১৯-২০ এবং ২০২০-২১ অর্থ বছর সমূহের জন্য আইনি গবেষণার মাধ্যমে তারতম্যমূলক আইন ও নীতি চিহ্নিতকরণপূর্বক উহা সংস্কার প্রকল্পের আওতায় নির্ধারিত ক্রয় কার্য সম্পাদনের নিমিত্ত ক্রয় পরিকল্পনাসমূহ প্রস্তুতপূর্বক অনুমোদন করা হয়েছে।

১৩। সভা অনুষ্ঠান: প্রকল্প স্টিয়ারিং কমিটির ৬টি এবং প্রকল্প বাস্তবায়ন কমিটির ৬টি সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। প্রকল্প বাস্তবায়ন কমিটির আরো ২টি সভা অনুষ্ঠান করতে হবে।



Share with :

Facebook Facebook